
ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমেছে। চলতি মার্চ মাসে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১,৪৫০ টাকা, যা গত মাসের তুলনায় ২৮ টাকা কম।
আজ সোমবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনে এই নতুন মূল্য ঘোষণা করেন। জানানো হয়েছে, নতুন দাম আজ সন্ধ্যা ছয়টা থেকে কার্যকর হবে।
বিইআরসি প্রতি মাসে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তবে বাজারে নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রি না হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। গৃহস্থালির কাজে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ১২ কেজির সিলিন্ডার।
বিইআরসির নতুন মূল্য অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির প্রতি কেজির মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট)সহ নির্ধারণ করা হয়েছে ১২০ টাকা ৮১ পয়সা, যা গত মাসে ছিল ১২৩ টাকা ১৬ পয়সা। এই হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়।
সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা ১২.৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম অপরিবর্তিত রেখে ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর গাড়ির জন্য ব্যবহৃত এলপিজি (অটো গ্যাস) প্রতি লিটারের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৬ টাকা ৪৩ পয়সা, যা আগে ছিল ৬৭ টাকা ৭৪ পয়সা।
২০২১ সালের এপ্রিল থেকে বিইআরসি এলপিজির দাম নির্ধারণ করছে। এলপিজি তৈরির প্রধান উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়।
প্রতি মাসে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো প্রোপেন ও বিউটেনের মূল্য প্রকাশ করে, যা সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। এই সৌদি সিপিকে ভিত্তি ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্যের গড় এবং মাসের জন্য ডলারের বিনিময় হার বিবেচনা করে দাম নির্ধারণ করা হয়।
One comment
Okey